
নারীর চোখ: বাংলা ছবিতে ক্ষমতা, সম্পর্ক ও দেখার ধরণধারণ
১৯৬৪ সালের ছবি "জতুগৃহ"। পরিচালক তপন সিংহ। ছবির শেষে এক নারী না বলছেন — তাঁর প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে আবার মিলিত জীবন শুরু করতে অস্বীকার করছেন। এক সময় যে সীমারেখা টানা হয়েছিল, তাকেই সম্মান জানাতে চাইছেন। এর দুই দশক পরে ওই একই ছোট গল্প অবলম্বনে গুলজার পরিচালিত "ইজাজত" ছবিতে দেখা যায় প্রাক্তন স্ত্রী নতুন জীবন শুরু করার আগে যেন অনুমতি চাইছেন। এই মৌলিক পার্থক্য আমাদের সামনে সিনেমার এক গভীর প্রশ্ন তুলে ধরে: শুধু কে দেখছে সেটা নয়, বরং কী ভাবে দেখা হচ্ছে, গুরুত্বপূর্ণ সেটাও। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে চলচ্চিত্র নির্মাতা ও লেখক দেবারতি গুপ্ত কাটাছেঁড়া করেছেন ফিমেল গেজ বা নারীর দৃষ্টির ধারণাকে— এ এমন এক দেখা যা পুরুষকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির সীমা অতিক্রম করে। ১৯৩৭ থেকে ১৯৬৪ পর্যন্ত বিস্তৃত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বাংলা চলচ্চিত্রের উদাহরণ টেনে দেবারতি দেখিয়েছেন, কী ভাবে সিনেমা পিতৃতান্ত্রিক উপস্থাপনার কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে। এবং যখন আমরা একটি দৃষ্টিকে নতুন ভাবে পড়তে শিখি তখন আর কী কী দৃশ্যমান হয়ে ওঠে
