
বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগকে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত গভীর ভাবে প্রভাবিত করেছে। পণ্ডিত তেজেন্দ্র নারায়ণ মজুমদারের তত্ত্বাবধানে আমরা নির্দিষ্ট কয়েকটি রাগের ভিত্তিতে ১২টি কালজয়ী গান এখানে একত্র করেছি। রাগ মাঝ খামাজ-এর ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে “আমি যামিনী তুমি শশী হে” (এন্টনী ফিরিঙ্গী) এবং “বাজে গো বীণা” (মর্জিনা আবদাল্লা)।
রাগ জয়জয়ন্তী শোনা যায় “কেন ডাকো বারে বারে” (জয়জয়ন্তী) গানটিতে। রাগ পটদীপ-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে “ত্রিবেণী তীর্থপথে কে গাহিল গান” (শাপমোচন)। রাগ ভৈরবীর আবহে “দেখো রে নয়ন মেলে” (গুপী গাইন বাঘা বাইন)। রাগ দেশ-এর সুরে “বড় একা লাগে এই আঁধারে” (চৌরঙ্গী)। মিশ্র পাহাড়ি রাগের প্রভাব রয়েছে “নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা” (মণিহার) গানে। রাগ ভৈরবীর সৌন্দর্য ঝিলিক দিয়েছে “এই পথ যদি না শেষ হয়” (সপ্তপদী) গানে।
রাগ মালকোশে বাঁধা হয়েছে “আগুন লেগেছে লেগেছে আগুন” (বসন্ত বিলাপ)। রাগ বসন্ত বাহার-এর বৈশিষ্ট্য রয়েছে “বাঁধো ঝুলোনা” (বসন্তবাহার) গানে। রাগ পিলু এবং রাগ বৃন্দাবনী সারং-এর প্রভাব রয়েছে যথাক্রমে “চুপি চুপি এলে কেন” এবং “নিঙাড়িয়া নীল শাড়ি শ্রীমতি চলে” গানে— দুটি গানই ঢুলি চলচ্চিত্রের।